
স্টাফ রিপোর্টার: অতুল বসাক (দৈনিক বাংলা কণ্ঠ)
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী এলাকায় অবস্থিত প্রায় ২৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিশাল আমগাছটি স্থানীয় ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। ব্যতিক্রমী আকৃতি, বিস্তৃত ডালপালা এবং দীর্ঘদিনের ইতিহাসের কারণে গাছটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ গাছটি দেখতে আসেন।

স্থানীয়ভাবে গাছটি এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ আমগাছ হিসেবে পরিচিত। বিশাল আকৃতির এই গাছের ডালপালা চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। গাছটির বিস্তৃতি ও প্রাচীনত্ব দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। প্রকৃতিপ্রেমী, ভ্রমণপিপাসু মানুষ এবং বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা গাছটি দেখে মুগ্ধ হন। অনেকেই গাছটির সঙ্গে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখেন।
স্থানীয়দের ধারণা, দীর্ঘ দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে গাছটি নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সময়ের পরিক্রমায় আশপাশের পরিবেশ ও জনজীবনে পরিবর্তন এলেও গাছটি এখনো তার স্বকীয়তা নিয়ে টিকে রয়েছে। তাই এটি শুধু একটি আমগাছ নয়, বরং এলাকার ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতীক।
গাছটির পরিচিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পর্যটন সম্ভাবনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পরিকল্পিতভাবে গাছটির সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং যাতায়াতব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে এটি স্থানীয় পর্যটনের একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।

তবে এত পুরোনো একটি গাছের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও বৈজ্ঞানিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি। গাছটির গো�
Leave a Reply